
স্টাফ রিপোর্টার | Katha24.com প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২৫
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকে কিছু ব্যতিক্রমী চরিত্র সামনে এসেছে— যাদের রাজনীতি দলীয় শোরগোলের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রয়াস। এমনই কয়েকজনের মধ্যে অন্যতম জবি ছাত্রসংসদ নির্বাচনের প্রার্থী রাকিব। একই ধারার ব্যতিক্রমী রাজনীতির উদাহরণ হিসেবে অতীতে জাকসু’র ভিপি জিতু ও রাকসু’র জিএস আম্মারের কথাও উঠে এসেছে। এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ছাত্ররাজনীতি কেবল মাইকিং, শোডাউন কিংবা প্রতিপক্ষকে আক্রমণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং ত্যাগ, পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক কল্যাণচিন্তাই প্রকৃত রাজনীতির মূলনীতি। এই দর্শনই প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করতে চায় ছাত্রশিবির— এমন মন্তব্যও এসেছে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নির্বাচনী পরিবেশ পর্যবেক্ষণের সময় বিভিন্ন প্যানেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা ও সৌজন্যের কথাও তুলে ধরা হয়। সে সময় শিবির প্যানেলের বাইরে থাকা প্রার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দোয়া করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে রাকিবের সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলা হয়, স্বভাবসুলভ হাসি ও বিনয়ের সঙ্গে দোয়া চেয়েছেন তিনি। ভোট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মন্তব্য করা হয়— সুযোগ থাকলে সবার পক্ষেই ভোট দেওয়া হতো, তবে বাস্তবে সবার জন্য দোয়াই কাম্য। আল্লাহ যাদের শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণকর মনে করবেন, তারাই বিজয়ী হোক— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়। লেখায় আরও আশা প্রকাশ করা হয়, নির্বাচনে বিজয়ী না হলেও রাকিবসহ অন্যান্য প্রার্থীরা জবি ছাত্রসংসদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকারভিত্তিক সমাধানে সকল শিক্ষার্থীর সম্মিলিত ভূমিকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি একটি “বিশ্বমানের স্বপ্নের ক্যাম্পাস” গড়তে সাবেক জবিয়ানদের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। সবশেষে রাকিবসহ সকল প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা জানিয়ে বলা হয়— বিশ্বাসীদের জীবনে পরাজয় নেই;
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।